1. mahi20718@gmail.com : mahi :
  2. saniurrahman44@gmail.com : Kaler Kollol : Kaler Kollol
  3. saniurrahman44@gmail.com : saniur rahman : saniur rahman
  4. shuvoahammed609@gamil.com : Saiful Islam : Saiful Islam
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০১:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জিয়া-খালেদা-তারেক সবার হাতেই রক্তের দাগ: প্রধানমন্ত্রী আইন হাতে তুলে নেয়া বিতর্কিত বেস্টটিমের মিলি ও তার স্বামী মোস্তাফিজ গ্রেফতার প্রধান দুই আসামীর দায় স্বীকার, প্রদীপের ফের রিমান্ড বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা নিবেদন সাতক্ষীরা কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা, দোষীদের শাস্তির দাবিতে জেলা আ’লীগের মানববন্ধন দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিতে যা বললেন লিয়াকত এইচ এস সি পরীক্ষার গুজবে কান না দেওয়ার আহবান শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দীর্ঘ এক বছর পর আজ থেকে উখিয়া টেকনাফে থ্রিজি-ফোরজি চালু হয়ে জাতীয় শোক দিবস আজ অভিযোগ প্রমাণ হলে প্রদীপের ছাড় নেই- আইনমন্ত্রী
শিরোনাম
  শীতার্তদের মাঝে ‘মানব’ এর ভালবাসা বিতরণ। সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়নে কম্পিউটার ও মাক্স প্রদান মনিরামপুর সাংবাদিকদের সাথে নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় পৌর মেয়র নির্বাচনে জামানত পাঁচ হাজার টাকা করুন : এ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম ৯ম দফায় ১নং ধামালিয়া ইউনিয়ন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ দূর্নীতির দায়ে বহিস্কৃত মাও.আলী কক্সবাজার লাইট হাউজ মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ১০জানুয়ারি সকালে রংপুরে মেয়র কাপ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন পৌর মেয়র নির্বাচনে জামানত পাঁচ হাজার টাকা করুন সড়ক দূর্ঘটনায় আহত মাসুমকে আর্থিক সহায়তা দিলেন এস এম ইয়াকুব আলী এলেঙ্গা সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে শোকসভা পালন ।
সর্বশেষ করোনা ভাইরাস আপডেট
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট

শীতের হাত ছানি যশোরের যশ খেজুরের রস শীতের আগমনে খেজুরের গাছ তুলতে ব্যস্ত সসময় পার করছে গাছিরা

  • রবিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

জি এম ফিরোজ উদ্দিন, মনিরামপুর, যশোর প্রতিনিধিঃ– আশ্বিনের কাশফুল ঝরানো স্নিগ্ধ বাতাস হিম হয়ে উঠেছে ককার্ত্তিক এ ।মিষ্টি হয়ে উঠেছে ভোরের রক্তিম সৃর্য্য ।সৃর্যোদয়ের পাখি ডাকা ভোর টা হয়ে উঠেছে কুয়াশাময়। কুয়াশার আচল সরিয়ে যখন উত্তরের ববাতাস বইছে শরীরে তখন ছড়িয়ে পড়েছে শীতের হিম স্পর্শ আর নরম রোদের আবেশ জজানান দিচ্ছে শরত গগেছে হেমন্তের হাত ধরেই আসছে শীত।আর ঠিক সে সসময় যশোরের মনিরামপুর উপজেলা জুড়ে শীতের আগমনের সাথে সাথে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য খেজুর রস সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে বিভিন্ন অঞ্চলের গাছিরা। গ্রামের আঁকা-বাকা পথের পাশে পুকুর পাড়ে সারি সারি খেজুর গাছের পুরাতন ডাল পালা কেটে পরিষ্কার পরিচ্ছন করার কাজে ব্যাস্থ হয়ে পড়েছে।গরমের আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে শীত মৌসুম শুরু হয়।
সরেজমিনে উপজেলার মনোহরপুর,কুমারঘাটা ,নেহালপুর,সহ বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বেশী শীতের তীব্রতা দেখা না দিলেও এরই মধ্যে অনেক গাছি খেজুর রস সংগ্রহের জন্য কাজ শুরু করে দিয়েছেন। শীত গ্রাম অঞ্চলের গাছিদের কাছে বিভিন্ন মাত্রায় রূপ নিয়ে আসে। নানা স্বপ্ন আর প্রত্যাশায় তাদের অনেকটা সময় কেটে যায় শীতে খেজুর গাছের সাথে। সারাদিন এক গাছ থেকে অন্য গাছ এভাবেই তাদের দিন কেটে যায়। গাছির জীবন সংগ্রামে বহু কষ্টের মাঝে অনেক প্রাপ্তিই মিটে যায় গ্রাম বাংলার এই জনপ্রিয় খেজুর রস আহরণের সাথে। গাছিদের কাছে এই সময়টা হয় অনেক আনন্দের। গাছ কাটার জন্য গাছের মাথার এক দিকের ডাল কেটে পরিষ্কার করা হয়। আর কাটা অংশের ঠিক মাঝ বরাবর নিচে দুটি ভাজ কাটা হয়। সে ভাজ থেকে কয়েক ইঞ্চি নিচে একটি সরু পথ বের করা হয়। এই সরু পথের নিচে বাঁশের তৈরি নালা বসানো হয়। এই নালা বেয়ে চুয়ে চুয়ে পাত্রে রস পড়ে। সাধারণত দুপুরে গাছে ভাড় বেঁধে রাখা হয়, সারা রাতে রস পাত্রে পড়তে থাকে। এসময় বিভিন্ন ধরনের পাখিরা গাছে ভিড় করে রস খাওয়ার জন্য। গাছ কাটার পর দুই দিন পযন্ত রস পাওয়া যায়। প্রথম দিনের রস দিয়ে পায়েস,বিভিন্ন পিঠা,পাটালি গুড় তৈরী হয়, আর দ্বিতীয় দিনের রসে ঝোলা গুড় তৈরী হয়। খেজুর গাছ একবার কাটার পর পাঁচ-ছয় দিন পর কাটা হয়। গাছের কাটা অংশ শুকানোর সুবিধার জন্যই সাধারণত পূর্ব ও পশ্চিম দিকে গাছ কাটা হয়। যাতে সূর্যের আলো সরাসরি কাটা অংশে পড়ে। ভোরের হাড় কাপানো ঠান্ডায় গাছ থেকে রসের পাত্র নামিয়ে হিমশীতল খেজুর রস খাওয়ার স্বাদটাই মধুর। ভোর বেলায় রস খেলে শীত মনে হয় আরো বেশি জেঁকে বসে। শীত লাগে লাগুক তবুও রস খাওয়ার চাই। যতই শীত লাগুক না কেনো রস খেতেই হবে। তারপর রোদ পোহানো আনন্দের অনুভূতি অন্যরকম। ভোরে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা রোদ পোহানোর সাথে অপেক্ষায় থাকে কখন গাছ থেকে নামানো হবে খেজুরের সু-মিষ্টি রস।একটি খেজুর গাছ থেকে ২৫/৩০ বছর বয়স পর্যন্ত গাছ থেকে রস পাওয়া যায়।গাছের বয়স যত পুরনো হয় রস দেয়া ততো কমে যায়। পুরনো গাছ রস কম দিলেও থেতে খুবই মিষ্টি ও সুস্বাদু হয়।
গাছিরা জানায়, বেশি রস সংগ্রহ করা হলে গাছের জন্য অনেক ক্ষতিকর। নতুন করে কেউ গাছির কাজ করতে আগ্রহী না হওয়ায় অনেক খেজুর গাছ পরিত্যাক্ত থেকে যাচ্ছে। সে জন্য সব গাছ থেকে রস বের করা সম্ভব হচ্ছে না। খেজুর গাছ বিশেষ কায়দায় কাটতে হয়। গাছিরা বিভিন্ন উপকরণের সমন্বয়ে খেজুর গাছ পরিচ্ছন্ন ভাবে কাটার জন্য ব্যস্ত থাকেন। গাছ কাটতে লোহা তৈরি ধারালো গাছি দা, মোটা দড়ি, দা রাখার জন্য বাঁশ বা প্লাস্টিকের রশি তৈরি করে কোমরে বেধে গাছে উঠা নামা করে। দড়িটা বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়। এই দড়ির দুই মাথায় বিশেষ কায়দায় গিট দেওয়া থাকে। গাছে উঠার পর অতি সহজে গিট দুটি জুড়ে দিতে হয়। অনেকে আবার গাছের মাথায় দাড়ানোর জন্য শক্ত কাঠ বা বাঁশ রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে দেয়। এতে গাছি নিরাপদে গাছ কাটাতে পারে। খেজুরের রস দিয়ে তৈরি রসের পিঠা খুবই সুস্বাদু হয়ে থাকে। আর খেজুর গুড়ের সন্দেশের স্বাদ হয় অপূর্ব। বলতে গেলে একবার খেলে স্বাদ সারাজীবন যেন মুখে লেগে থাকে। গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য সাধারণত মাটির পাত্র ব্যবহার করা হয়। এলাকা ভিত্তিক অনেকে ভাঁড় বলে। গুড় তৈরির জন্য রস জ্বাল দেওয়া হয় মাটির জালায় বা টিনের তাপালে। খুব সকালে রস নামিয়ে এনেই জ্বালানো হয়। জ্বাল দিতে দিতে এক সময় রস ঘন হয়ে গুড়ে পরিণত হয়। এ গুড় মাটির হাঁড়ি বা বিভিন্ন পাত্রে রাখা হয়। এ সময় গ্রামের বাজার গুলোতেও জমজমাট হয়ে ওঠে খেজুর রস এবং গুড়ে হাট।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন