1. mahi20718@gmail.com : mahi :
  2. saniurrahman44@gmail.com : Kaler Kollol : Kaler Kollol
  3. saniurrahman44@gmail.com : saniur rahman : saniur rahman
  4. shuvoahammed609@gamil.com : Saiful Islam : Saiful Islam
শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
জিয়া-খালেদা-তারেক সবার হাতেই রক্তের দাগ: প্রধানমন্ত্রী আইন হাতে তুলে নেয়া বিতর্কিত বেস্টটিমের মিলি ও তার স্বামী মোস্তাফিজ গ্রেফতার প্রধান দুই আসামীর দায় স্বীকার, প্রদীপের ফের রিমান্ড বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা নিবেদন সাতক্ষীরা কলারোয়ায় শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা, দোষীদের শাস্তির দাবিতে জেলা আ’লীগের মানববন্ধন দোষ স্বীকার করে জবানবন্দিতে যা বললেন লিয়াকত এইচ এস সি পরীক্ষার গুজবে কান না দেওয়ার আহবান শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দীর্ঘ এক বছর পর আজ থেকে উখিয়া টেকনাফে থ্রিজি-ফোরজি চালু হয়ে জাতীয় শোক দিবস আজ অভিযোগ প্রমাণ হলে প্রদীপের ছাড় নেই- আইনমন্ত্রী
শিরোনাম
  শীতার্তদের মাঝে ‘মানব’ এর ভালবাসা বিতরণ। সাতক্ষীরা দেবহাটা উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়নে কম্পিউটার ও মাক্স প্রদান মনিরামপুর সাংবাদিকদের সাথে নির্বাহী কর্মকর্তার মতবিনিময় পৌর মেয়র নির্বাচনে জামানত পাঁচ হাজার টাকা করুন : এ্যাডঃ ইয়ারুল ইসলাম ৯ম দফায় ১নং ধামালিয়া ইউনিয়ন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ দূর্নীতির দায়ে বহিস্কৃত মাও.আলী কক্সবাজার লাইট হাউজ মাদ্রাসা নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ১০জানুয়ারি সকালে রংপুরে মেয়র কাপ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন পৌর মেয়র নির্বাচনে জামানত পাঁচ হাজার টাকা করুন সড়ক দূর্ঘটনায় আহত মাসুমকে আর্থিক সহায়তা দিলেন এস এম ইয়াকুব আলী এলেঙ্গা সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে শোকসভা পালন ।
সর্বশেষ করোনা ভাইরাস আপডেট
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
সর্বমোট

প্রধান দুই আসামীর দায় স্বীকার, প্রদীপের ফের রিমান্ড

  • মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

 

(এমদাদুল করিম রাসেল), উখিয়ার, প্রতিনিধিঃ

চাঞ্চল্যকর মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামী বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বরখাস্ত এসআই লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত ১৬৪ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপর প্রধান আসামী টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে আরো একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
(৩১ আগস্ট) সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা দিকে নন্দদুলাল রক্ষিতকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে আনা হয়। দীর্ঘ প্রায় ৪ ঘণ্টা জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিকাল সোয়া তিনটার দিকে কারাভ্যানে করে তাকে জেলা কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে (৩০ আগস্ট) রবিবার বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বরখাস্ত এসআই লিয়াকত আলী একই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাদের দুইজনকেই কারাভ্যানে করে জেলা কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ওই মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে তৃতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে আনা হয়। সেখানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) খায়রুল ইসলাম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য পুনরায় ১ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ২টার দিকে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে র‌্যাব হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ওসি প্রদীপ সহ তিন আসামীর  স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল।
জবানবন্দি শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাবের এসএসপি খায়রুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন- সিনহা হত্যা মামলার প্রধান আসামী এসআই লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত জিজ্ঞাসাবাদে সিনহা হত্যা সম্পর্কে যা স্বীকার করেছে আদালতের কাছেও একই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
র‌্যাব সূত্র মতে, আত্মসমর্পণের পর গত ৬ আগস্ট ওসি প্রদীপ, লিয়াকত ও নন্দদুলালসহ সাত পুলিশের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সাত দিনের রিমান্ড শেষে দ্বিতীয় দফায় ২৪ আগস্ট আরো সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল র‌্যাব। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। ওই চার দিন রিমান্ড শেষ হলে তদন্তের স্বার্থে তৃতীয় দফায় আরো চার দিনের আবেদন করা হলে গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আদালত তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর পর প্রধান দুই আসামী আদালতে তাদের দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দেওয়ার পর জেল হাজতে প্রেরন করা হয়। অপর আসামী ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে আরো অধিকতর তথ্য উদঘাটনের জন্য পুনরায় ১দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি ও রামু থানায় একটি মামলা করে। মামলায় এ পর্যন্ত সাত পুলিশ সদস্য, এপিবিএনের তিন সদস্য ও টেকনাফ পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষীসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এপিবিএনের তিন পুলিশ সদস্য পৃথকভাবে বুধ ও বৃহস্পতিবার আদালতে ১৬৪ ধারা মতে জবানবন্দি দেন। যার কারণে এ তিন পুলিশ সদস্যও কারাগারে রয়েছেন।
গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মো. রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে ৯ জনকে আসামি করা হয়। পরে আরো ছয়জনকে আসামী করা হয়। দুইজন ছাড়া সব আসামী গ্রেফতার হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন